রাজশাহী নগরীতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কারাগারে থাকা সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এবার বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী তাকে আসামি করে মামলা করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর নির্দেশে বোয়ালিয়া থানা শনিবার (২ মে) রাতে মামলাটি রুজু করে। এর আগে ওই ছাত্রী গত ২৭ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা (নং-২৯/২০২৬) দায়ের করেন।
বাদীর অভিযোগ ও জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে অগ্রগতি জানাতে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে শনিবার রাত ৮টার দিকে থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের রাজশাহী প্রতিনিধি এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ও খণ্ডকালীন শিক্ষক গোলাম রাব্বানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করেন।
এর আগে গত ৩ মার্চ আরেক নারী বাদী হয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের চন্দ্রিমা থানায় গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত) এর ১০ ধারায় প্রথম মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় গত ২০ এপ্রিল জামিন আবেদন করতে গেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকেই তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর নির্দেশে বোয়ালিয়া থানা শনিবার (২ মে) রাতে মামলাটি রুজু করে। এর আগে ওই ছাত্রী গত ২৭ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা (নং-২৯/২০২৬) দায়ের করেন।
বাদীর অভিযোগ ও জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে অগ্রগতি জানাতে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে শনিবার রাত ৮টার দিকে থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের রাজশাহী প্রতিনিধি এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ও খণ্ডকালীন শিক্ষক গোলাম রাব্বানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করেন।
এর আগে গত ৩ মার্চ আরেক নারী বাদী হয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের চন্দ্রিমা থানায় গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত) এর ১০ ধারায় প্রথম মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় গত ২০ এপ্রিল জামিন আবেদন করতে গেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকেই তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :